# কর্মক্ষেত্রে গালভরা বুলি: নেতৃত্বের অযোগ্যতার লক্ষণ কি?

*নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে, যাঁরা অফিসে গালভরা বুলিতে বেশি মুগ্ধ হন, তাঁরা প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পিছিয়ে থাকেন।*

১৩ জুন, ২০২৬ · চাকরি

## এক নজরে

- গালভরা বুলিতে মুগ্ধ হওয়া কর্মীরা বাস্তব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্বল থাকেন।
- বাংলাদেশে চটকদার ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করার জন্য কর্মীদের যোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়।
- গবেষকেরা কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ওপর জোর দিচ্ছেন।

নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে, অফিসে গালভরা বুলিতে মুগ্ধ হওয়া কর্মীরা প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পিছিয়ে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় বলা হয়েছে, চটকদার ভাষায় মুগ্ধ হওয়া কর্মীরা বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্বল থাকেন।

## গালভরা বুলির অর্থহীনতা

গবেষকেরা বলছেন, করপোরেট বুলশিট হলো এমন কিছু জটিল শব্দের ব্যবহার, যা শুনতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও বাস্তবে তা প্রায় অর্থহীন। যাঁরা এই ফাঁপা বুলি এবং কাজের কথার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না, তাঁদের বাস্তব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা খুবই সীমিত।

## বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা

বাংলাদেশে অনেক সময় দেখা যায়, ইন্টারভিউ বোর্ডে বা মিটিংয়ে যাঁরা চটকদার ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, তাঁদেরই বেশি ‘স্মার্ট’ বা যোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়। এই প্রবণতার ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে এমন নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে, যাঁরা দারুণ সব কথা বলতে পারেন, কিন্তু বাস্তবে সংকটের সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম খান।

## গবেষকদের পরামর্শ

গবেষকেরা শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে করপোরেট–জগতের কর্মকর্তাদের উচিত চটকদার শব্দের বদলে কাজের স্বচ্ছতা এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ওপর জোর দেওয়া।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/jobs/office-bullshit-incompetence
