নতুন প্রজন্মের কর্মীরা বড় পদবির চেয়ে ব্যক্তিগত সময় ও প্রশান্তিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। উচ্চপদের দায়িত্ব এবং মানসিক চাপের পরিবর্তে তারা নিজের ব্যক্তিগত জীবনকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এমনকি বেতন দ্বিগুণ হওয়ার প্রস্তাব পেলেও অনেক দক্ষ কর্মী পদোন্নতিকে 'না' বলে দিচ্ছেন।
যুক্তরাজ্যের জরিপে প্রকাশ পেয়েছে যে, বর্তমান প্রজন্মের মাত্র ৬ শতাংশ কর্মী বড় পদবি বা নেতৃত্বের পদ পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন। অন্যরা কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিকাশ এবং 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স'-কে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের করপোরেট সংস্কৃতিতে এখনও পদোন্নতিকে বড় সাফল্য মনে করা হয়। তবে নতুন প্রজন্মের কর্মীদের মধ্যে এই মানসিকতা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে আইটি, ফ্রিল্যান্সিং বা সৃজনশীল পেশায় যারা রয়েছেন, তারা উচ্চপদের চেয়ে কাজের স্বাধীনতাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।
আর্থিক পরিকল্পনাবিদদের মতে, পদোন্নতি না নেওয়া বা বড় পদবি এড়িয়ে চলা খারাপ কিছু নয়। তবে এই পথে হাঁটলে শুরু থেকেই সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা থাকা জরুরি।
ক্যারিয়ারের গন্তব্য এখন আর কেবল 'সিইও' হওয়া নয়। নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রেখে সৃজনশীলভাবে কাজ করে যাওয়াই এখনকার মূলমন্ত্র। যারা এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে পারছেন, তারা কাজের ভেতরেই খুঁজে নিচ্ছেন জীবনের আসল আনন্দ।




















