সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা ঈদ পুনর্মিলনী কর্মসূচি পালন করেছেন। গত ৩০ মে ৬১ জেলায় একযোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। দ্রুত নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা বলেন, ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছিল দেশের ইতিহাসে অন্যতম স্বচ্ছ, নির্ভুল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ কার্যক্রম। দীর্ঘ যাচাই–বাছাই এবং লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রশিক্ষণের আগে বিদ্যালয়ে পদায়ন ও যোগদান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সুপারিশপ্রাপ্তরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, প্রশিক্ষণের নামে নিয়োগ পাওয়া প্রার্থীদের একটি বড় অংশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে দুই মাস ধরে প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।
এদিকে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে পিটিআই (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র) প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর।




















