বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় গভীর নলকূপের পানিতেও অস্বাভাবিক লবণাক্ততা ধরা পড়ছে। এতে হুমকিতে পড়েছে জনস্বাস্থ্য ও কৃষি।
দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলের অনেক নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা সহনীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে আগেই। এখন গভীর নলকূপের পানিতেও অস্বাভাবিক লবণাক্ততা ধরা পড়ছে। ফলে একসময় যে পানি ছিল জীবনের উৎস, এখন সেই পানিই মানুষের শরীরে বয়ে আনছে নীরব বিপদ। একই সঙ্গে বাড়ছে কৃষিজমির লবণাক্ততা, কমছে ফসল উৎপাদন; যা উপকূলের জনজীবন ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত লবণযুক্ত পানি পান ও ব্যবহারের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির জটিলতা, গর্ভকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং নারীদের জরায়ু ও প্রজননতন্ত্রের নানা রোগ বাড়ছে। একই সঙ্গে লবণাক্ত পানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করা মানুষেরা চর্মরোগ ও সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছেন। গবেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, নিরাপদ পানির সংকট এবং লবণাক্ততার বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে দক্ষিণাঞ্চলে স্বাস্থ্য ও জীবিকার সংকট আরও গভীর হতে পারে।

















