কাজী আনোয়ার হোসেন পড়া আছে বেশ। জেমস বন্ডের সিনেমাও দেখেছি ঢের। তা সত্ত্বেও বাড়তি কোথাও কোথাও অবাস্তব ঘটনা-দৃশ্য চোখে পড়ে। কিছু দৃশ্য অতিরঞ্জিত, কখনো কখনো হাস্যরসও তৈরি করে। গল্পে অসংগতি, দুর্বলতা আছে। তবে সিনেমাটির বড় শক্তি এর গতি। দ্রুত দৃশ্যান্তর, ঘন ঘন অ্যাকশনের কারণে গল্প খুব বেশি ঝুলে যায়নি। আর দর্শককে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। অ্যাকশন সিনেমা যাঁদের প্রিয়, এই মুভির ভরপুর মারপিট তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করবে। পাশাপাশি সিনেমাটিতে আছে জমকালো নাচ–গান। আছে আইটেম সং। এসব গানের কথা, সুর, চিত্রায়ণ, কোরিওগ্রাফি দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই মনে হয়।
অভিনয় ও চরিত্র
রাসেল রানাকে ‘মাসুদ রানা’ চরিত্রে ভালোই মানিয়েছে। বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে তাঁর আত্মবিশ্বাস চোখে পড়েছে। পূজা চেরীর কথা আলাদাভাবে না বললেই নয়। গ্ল্যামারের পাশাপাশি অ্যাকশন দৃশ্যে তাঁকে বেশ আত্মবিশ্বাসী লেগেছে। ভিলেন চরিত্রে গাজী রাকায়েতের অভিনয়ে কিছুটা বাড়াবাড়ি নাটকীয়তা দেখা যায়। তবে এটিকে বিনোদনের অংশ হিসেবে মেনে নেওয়াই যায়।



















