হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জীবন শুধু অভিনয়ের গল্প নয়। তিনি শৈশবে মা-বাবার বিচ্ছেদ, মানসিক সংকট ও আত্মবিশ্বাসের অভাব পেরিয়ে বিশ্বখ্যাত তারকা হয়েছেন। তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ারের এই নানা উত্থান-পতন ও সাফল্যের গল্প জানা আছে।
শৈশবে মা-বাবার বিচ্ছেদ
অ্যাঞ্জেলিনা জোলির শৈশব ছিল কঠিন। তাঁর বাবা জন ভয়েট ও মা মার্শেলিন বার্ট্রান্ডের বিচ্ছেদের কারণে তিনি অনেক সময় একাকিত্ব ও মানসিক অস্থিরতায় ভুগেছেন। তিনি নিজেকে সমাজের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করতেন।
অভিনয়ের দিকে ঝোঁক
একাকিত্ব থেকেই তাঁর জয়ের গল্পের শুরু হয়। সেই সময় তাঁকে অভিনয় টানে। ১৯৯৩ সালে ‘সাইবর্গ টু’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হলেও ছবিটি সাফল্য পায়নি। পরে কয়েক বছর ছোট বাজেটের ছবি ও টেলিভিশন প্রজেক্টে কাজ করেন।
অস্কার পুরস্কার
১৯৯৯ সালে ‘গার্ল, ইন্টারাপ্টেড’ সিনেমায় অভিনয় করে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সেরা পার্শ্বচরিত্রের অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার জেতেন। এটিই তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সুপারস্টার হওয়ার গল্প
২০০১ সালে ‘লারা ক্রফট: টুম্ব রাইডার’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি আন্তর্জাতিক সুপারস্টার হয়ে ওঠেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
ব্যক্তিগত জীবন
অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ব্যক্তিগত জীবনের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় হল ব্র্যাড পিটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। ২০০৪ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। পরে তাঁরা বিয়ে করেন কিন্তু ২০১৬ সালে বিচ্ছেদের আবেদন করেন জোলি।
মানবিক কাজ
জোলি ক্যারিয়ারে পরিচিতি পাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত মানবিক কাজে অংশ নিয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দূত হিসেবে তিনি আফগানিস্তান, সিরিয়া, সুদান, কম্বোডিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংকটপূর্ণ অঞ্চল সফর করেছেন।


















