# ইউজিসি গবেষণা প্রস্তাবের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনলো

*উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে গবেষণা অনুদানের জন্য ইউজিসি মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন পরিবর্তন আনলো।*

৭ আগস্ট, ২০২৬ · শিক্ষা

## এক নজরে

- গবেষণা প্রস্তাবের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য ইউজিসি নতুন পরিবর্তন আনলো।
- নতুন পরিবর্তনগুলো হাট প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের অংশ।
- গবেষক এবং তাদের সাথে যুক্ত সংস্থার পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় অনুদান কমিশন (ইউজিসি) গবেষণা প্রকল্পের অনুদানের জন্য মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনলো। এই পরিবর্তনগুলো গবেষণা উপ-প্রকল্প নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।

## নতুন পরিবর্তনগুলোর ব্যাখ্যা

নতুন পরিবর্তনগুলো গবেষণা প্রস্তাবের প্রস্তুতি, জমা দেওয়া এবং মূল্যায়নের প্রতিটি পর্যায়ে নিয়োগ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো উচ্চ শিক্ষার ত্বরান্বিতকরণ ও পরিবর্তন (হাট) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের অংশ।

## পরিবর্তনের কারণ ও প্রভাব

প্রথম পর্বে উপ-প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু নেতিবাচক ধারণা গড়ে উঠেছিল। এই ধারণাগুলো বাস্তবতা থেকে ভিন্ন হলেও ইউজিসি গবেষকদের এবং একাডেমিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নেতিবাচক ছাপ বজায় রাখতে চায় না। এই কারণেই দ্বিতীয় পর্বে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায়, গবেষণা অনুদানের জন্য জমা দেওয়া প্রস্তাবগুলোকে বিশেষ কোডের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এতে গবেষক এবং তাদের সাথে যুক্ত সংস্থার পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে।

এছাড়াও, চূড়ান্ত পর্যায়ের মূল্যায়কদের একটি প্যানেল থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হচ্ছে, যা ব্যক্তিগত পরিচয় বা প্রতিষ্ঠানগত প্রভাবের কোনও অংশ থাকার স্থান দেয় না।

## উল্লেখযোগ্য বিষয়

প্রথম পর্যায়ের পর্যায় থেকে উদ্ভূত কিছু নেতিবাচক ধারণা বা অভিমতের কথা ইউজিসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, এই ধারণাগুলো বাস্তব থেকে ভিন্ন হলেও গবেষক এবং একাডেমিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নেতিবাচক ছাপ বজায় রাখতে চান না। তাই দ্বিতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায়, প্রথমে একটি প্রাথমিক পর্যালোচক প্যানেল তৈরি করা হয়েছে তিনটি নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে। এরপর, একটি উচ্চ-পর্যায়ের কমিটি তাদের প্রকাশনা, গবেষণা অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা সহ তাদের পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত প্যানেল নির্ধারণ করেছে। প্রতিটি প্রস্তাবের জন্য দুজন পর্যালোচক লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, গত বছরে অনুদান প্রাপ্ত ১৮০টি গবেষণা প্রকল্পের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যদি কোনও প্রকল্পে অনিয়ম বা সেট লক্ষ্য পূরণ ব্যর্থতা খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে অনুদান বন্ধ করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

## সূত্র

- BSS

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/education/ugc-reforms-research-proposal-evaluation
