খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আজ তাদের মৎস্য ও সমুদ্র সম্পদ প্রযুক্তি অনুষদের হ্যাচারিতে উৎপাদিত স্থানীয় টেঙ্গা ও শিঙ্গ মাছের ছানা মুক্তি দিয়েছে। এই উদ্যোগ নেটিভ মাছের জিনগত বৈচিত্র্য রক্ষা এবং গবেষণা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মুক্তি অনুষ্ঠানের সূচনা করেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির ইজাজ খান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশের একটি পুকুরে মাছের ছানা ছেড়ে দেন। পরে এই ছানাগুলো ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই উদ্যোগটি 'জিন ব্যাংক বিকাশ এবং ক্ষুদ্র স্থানীয় মাছের জাতের গবেষণা ক্ষমতা বৃদ্ধি' নামক একটি উপ-প্রকল্পের অংশ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ এমডি রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ এমডি হারুন-অর-রশিদ খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ এমডি নুরুন্নাবি, অভিভাবক রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডাঃ এসএম মাহবুবুর রহমান, মৎস্য ও সমুদ্র সম্পদ প্রযুক্তি অনুষদের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ এমডি মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান তদন্তকারী অধ্যাপক ডাঃ এমডি গোলাম সারোয়ার, খান জাহান আলি হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ডাঃ এমডি খসরুল আলম, খান বাহাদুর আসানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শরীফ মোহাম্মদ খান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল স্থানীয় মাছের জিনগত সম্পদ সংরক্ষণ, গবেষণা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই মৎস্যচাষ পদ্ধতি প্রচার করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা উদ্যোগটির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং টেকসই মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের জন্য এই ধরনের গবেষণা উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি স্থানীয় মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত বৈচিত্র্য রক্ষায় অবদান রাখবে।





























