যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দুই ভিন্ন গতিপথে এগোচ্ছে। ফেডারেল রিজার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৯ সালে দেশটির সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ১০ শতাংশ পরিবারের হাতে ছিল মোট জাতীয় সম্পদের ৩২ শতাংশ। ২০২৫ সালে এসে সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ শতাংশ।
কে-আকৃতির অর্থনীতি
অর্থনীতিবিদেরা এই প্রবণতাকে বলেন ‘কে-আকৃতির অর্থনীতি’, অর্থাৎ ধনীরা আরও ধনী হচ্ছেন, বাকি জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। সম্প্রতি কয়েক বছরে এই বৈষম্য আরও বেড়েছে, বিশেষ করে গত তিন বছরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে।
সম্পদ বৈষম্যের কারণ
এর পেছনে মূলত তিনটি কারণ রয়েছে—আবাসন, শেয়ারবাজার ও মূল্যস্ফীতি। যুক্তরাষ্ট্রের মোট আবাসন সম্পদের অর্ধেকের বেশি শীর্ষ ২০ শতাংশ মানুষের মালিকানায়। শেয়ারসহ আর্থিক সম্পদের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি শীর্ষ ২০ শতাংশ মানুষের হাতে। মূল্যস্ফীতির প্রভাবও সব শ্রেণির মানুষের জীবনে সমানভাবে পড়ে না।
মূল্যস্ফীতির প্রভাব
মিনিয়াপোলিস ফেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের ২০ শতাংশ মানুষের জীবনে ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। একই সময়ে শীর্ষ ২০ শতাংশের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ছিল ৪৬ শতাংশ।
















