এলপিজির দাম কমলে বাজার আরও বাড়বে বলে খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন। বর্তমানে সিলিন্ডারের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় চাহিদা কমছে। দাম নিয়ন্ত্রণ করলে বাজার আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মনে করেন।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াব শুল্ক কমানোর দাবি করেছে। তারা বলছে, উৎপাদন পর্যায়ে শুল্ক অব্যাহতি এবং সিলিন্ডারের কাঁচামালে সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর কমানোর দাবি করেছে তারা।
দেশে ২০১৫ সালে আবাসিকে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ করার পর এলপিজির বাজার বাড়ে। ২০১৬ সালে আগের বছরের তুলনায় এই খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০০ শতাংশ আর ২০১৭ সালে তা দাঁড়িয়েছিল ১২৩ শতাংশে।
দেশে ব্যবহৃত এলপিজির প্রায় ৮০ শতাংশই যায় গৃহস্থালির রান্নার কাজে, এর বড় অংশই ১২ কেজির সিলিন্ডার। ২০২০ সালেও এই ১২ কেজির সিলিন্ডার মিলত মাত্র ৯০০ টাকায়। ২০২১ সালের মে মাস থেকে প্রতি মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর দাম নির্ধারণ করে দেয়।
রান্নার কাজে শহরের মানুষের অন্যতম ভরসা এলপিজি। উপজেলাগুলোতেও রান্নায় বেড়েছে এলপিজির ব্যবহার। চায়ের দোকান থেকে রেস্তোরাঁর রান্নাতেও জ্বালানি মানে এলপিজি। তবে বাড়তি দামের কারণে নতুন গ্রাহকের আগ্রহ কম।
















