# জুনে ৯ খাতে বিনিয়োগ করলে আগামী বছর করছাড় পাবেন

*জুন মাসে ৯টি খাতে বিনিয়োগ করে আগামী বছর করছাড় পাওয়া যাবে।*

১৩ জুন, ২০২৬ · বাণিজ্য

## এক নজরে

- জুন মাসে ৯টি খাতে বিনিয়োগ করে আগামী বছর করছাড় পাওয়া যাবে
- সঞ্চয়পত্র, শেয়ারবাজার, প্রভিডেন্ট ফান্ড, জীবনবিমা প্রিমিয়াম, কল্যাণ তহবিল, গোষ্ঠীবিমা তহবিল, সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ড, সিকিউরিটিজ কেনা—এসব খাতে বিনিয়োগ করলে করছাড় পাওয়া যাবে
- বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের নিয়ম হলো মোট আয়ের দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ; মোট অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা—এই তিনটির মধ্যে যেটি কম হবে, তা-ই রেয়াতের পরিমাণ

জুন মাস শুরু হয়েছে। অর্থবছরের শেষ মাস এটি। জুন মাসের মধ্যেই আয়করের হিসাব–নিকাশ শেষ করতে হবে। আয়কর রিটার্নে আয়-ব্যয়, করছাড়, বিনিয়োগ পরিকল্পনা—সবই করতে হবে এই জুলাই-জুন চক্রের মধ্যে। তাই বিনিয়োগজনিত করছাড় নিতে হলে জুন মাসের মধ্যেই বিনিয়োগ করতে হবে।

আপনার হাতে যদি নগদ টাকা থাকে, তাহলে সরকার নির্ধারিত কিছু খাতে বিনিয়োগ করে করছাড় নিতে পারেন। এতে বছর শেষে আপনার করের পরিমাণ করে যাবে। কর পরিশোধে আপনার খরচ কমবে।

## বিনিয়োগ করার ৯টি খাত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এসব খাত ঠিক করে দিয়েছে। এনবিআর বলেছে, এসব খাতে বিনিয়োগ করলে করছাড় দেবে করদাতাদের। বিনিয়োগ করার সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় খাত হলো সঞ্চয়পত্র। কারণ, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি নেই বললেই চলে। মুনাফার হারও ব্যাংকের আমানতের চেয়ে কিছুটা বেশি। ফলে মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রথম পছন্দ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় করলেও কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে। ডিপিএসের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ওপর এই করছাড় দিয়েছে এনবিআর।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলেও আপনি করছাড় পাবেন। এ জন্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চার কিনতে হবে।

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদার কারণে কর কিছুটা কমে যায়। কারণ, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা এনবিআরের বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের তালিকায় আছে। এ ছাড়া স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদাও করছাড়ের তালিকায় রাখা হয়েছে।

অন্য খাতগুলো হলো জীবনবিমার প্রিমিয়াম; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠীবিমার তহবিলে চাঁদা; সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ডে চাঁদা; পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত যেকোনো সিকিউরিটিজ কেনা।

## বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের নিয়ম

বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত নেওয়ার নিয়ম হলো মোট আয়ের দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ; মোট অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা—এই তিনটির মধ্যে যেটি কম হবে, তা-ই রেয়াতের পরিমাণ।

একজন করদাতার মোট আয়ের ওপর প্রযোজ্য করের চেয়ে যদি আইনানুগ রেয়াতের পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে ওই করদাতা কোনো প্রকার কর রেয়াত প্রাপ্য হবেন না। কর রেয়াতের পরিমাণ কখনোই কর দায়ের বেশি হবে না।

করদাতার অবস্থান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় হলে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা, অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় হলে ন্যূনতম ৪ হাজার টাকা এবং সিটি করপোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় হলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/business/june-investment-tax-relief
