# বাংলাদেশের গুঁড়ো দুধের বাজারের আকার ১৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

*বাংলাদেশে গুঁড়া দুধের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে এর বাজার আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকায়।*

১৩ জুন, ২০২৬ · বাণিজ্য

## এক নজরে

- বাংলাদেশের গুঁড়া দুধের বাজার আকার ১৩ হাজার কোটি টাকায়
- ২০২৫ সালে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন গুঁড়া দুধ আমদানি হয়েছে
- চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ গুঁড়া দুধ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়

বাংলাদেশে গুঁড়া দুধের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে এর বাজার আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন গুঁড়া দুধ আমদানি হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৫২ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা।

এই আমদানি করা গুঁড়া দুধ খালাসে সরকার রাজস্ব পেয়েছে প্রায় ২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা; অর্থাৎ আমদানি ও কর মিলিয়ে দেশে গুঁড়া দুধ আনতে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা। গুঁড়া দুধ সাধারণত ২৫ কেজির বস্তায় আমদানি করা হয়। পরে কারখানায় এনে তা বিভিন্ন আকারের প্যাকেটে বাজারজাত করা হয়।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ব্র্যান্ডভেদে বর্তমানে প্রতি কেজি গুঁড়া দুধ ৮৩০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসাবে দেশে গুঁড়া দুধের খুচরা বাজারের আকার এখন ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার মধ্যে। তরল দুধ থেকে তৈরি হয় গুঁড়া দুধ। কিন্তু বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় তরল দুধের উৎপাদনই এখনো কম।

ফলে স্থানীয়ভাবে গুঁড়া দুধ উৎপাদনের সুযোগও সীমিত। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে তরল দুধের চাহিদা ছিল ১ কোটি ৬২ লাখ টন। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টন; অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় ঘাটতি ছিল প্রায় ৭ লাখ টন।

বর্তমানে মিল্ক ভিটা, ব্র্যাক ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ তরল দুধ থেকে গুঁড়া দুধ উৎপাদন করছে। সব মিলিয়ে বছরে উৎপাদন হয় ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টন। অথচ কোম্পানিগুলোর হিসাব অনুযায়ী, দেশে গুঁড়া দুধের মোট চাহিদা ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টনের কাছাকাছি। ফলে চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/business/gura-dudh-bazar-13-hajar-kotir
