দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ফ্রেশ এলপি গ্যাস দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ২০১৯ সালে ৬ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন তাদের সক্ষমতা ২০ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। ফ্রেশ এলপি গ্যাস বর্তমানে দেশব্যাপী ৩৫০টির বেশি পরিবেশক ও ২০ হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতার এক বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লাখো গ্রাহকের সেবা দিচ্ছে।
সরবরাহ চেইন ও উৎপাদন সক্ষমতা
ফ্রেশ এলপি গ্যাসের সরবরাহ চেইনে রয়েছে ২টি নিজস্ব এলপিজি জাহাজ— প্রতিটি ২ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন, ৪টি ফিলিং প্ল্যান্ট, মাসে ১ লাখ সিলিন্ডার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্ল্যান্ট, ৩০টি রোড ট্যাংকার এবং ৭টি আঞ্চলিক, ৩টি সরাসরিসহ মোট ১০টি বিতরণকেন্দ্র।
নিরাপত্তা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ
ফ্রেশ এলপিজি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় প্রযুক্তিনির্ভর ক্যারোসেল ফিলিং সিস্টেম ব্যবহার করে। বাজারে ছাড়ার আগে প্রতিটি সিলিন্ডার এক্স-রে, হাইড্রো, কেমিক্যাল টেস্টসহ বিভিন্ন কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। বিইআরসি নির্ধারিত মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা পুরো সাপ্লাই চেইনে কঠোরভাবে তদারকি করে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ফ্রেশ এলপি গ্যাস আগামী তিন বছরে নতুন টার্মিনাল স্থাপন, আরও ২টি নতুন এলপিজি জাহাজ সংযোজনসহ প্রযুক্তি ও লজিস্টিকস খাতে বড় বিনিয়োগ পরিকল্পনা করেছে। তারা কাস্টম ডিউটি ৫ শতাংশ রেখে সম্পূর্ণ ভ্যাট ও এআইটি প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করেছে।
















