ব্র্যাক ব্যাংক রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে এই অবস্থান অর্জনের পর ব্যাংকটি ২০২৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত আয় দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমরা সব সময়ই নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য রেমিট্যান্স চ্যানেল নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ব্র্যাক ব্যাংক বিশ্বের ৮০টির বেশি পার্টনার এক্সচেঞ্জ হাউসের সঙ্গে কাজ করছে। ফলে গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে রেমিট্যান্স স্থানান্তর নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
দেশেও ব্র্যাক ব্যাংক সহজলভ্য গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে ব্যাংকটির ৩১০টি শাখা ও উপশাখার পাশাপাশি রয়েছে ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট।
ব্র্যাক ব্যাংক প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাঁদের পরিবারের জন্য একাধিক সেবা চালু করেছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রবাসী ভার্চ্যুয়াল সেভিংস অ্যাকাউন্ট, প্রবাসী পরিবার অ্যাকাউন্ট, তারা প্রবাসী পরিবার অ্যাকাউন্ট এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) সেবা।
ই-কেওয়াইসি সুবিধার মাধ্যমে প্রবাসীরা বিদেশে বসেই ব্র্যাক ব্যাংকে হিসাব খুলতে পারছেন। ‘আস্থা’ অ্যাপ ব্যবহার করে বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, আমানত ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষিত ঋণসুবিধা গ্রহণ ও ডিপিএস খোলার মতো কাজ করতে পারছেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল বলেন, ‘২০২৮ সালের মধ্যে আমরা রেমিট্যান্স বাজারে শীর্ষস্থান অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’















