# জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ অপরিহার্য: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

*সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেএম জাহিদ বলেছেন, জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ অপরিহার্য।*

২৯ জুন, ২০২৬ · বাংলাদেশ

## এক নজরে

- সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেএম জাহিদ বলেছেন, জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ অপরিহার্য।
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় নারী শক্তিকরণ জাতীয় বেঁচে থাকার বিষয়।
- সরকার নারীদের শক্তিকরণের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেএম জাহিদ বলেছেন, জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ অপরিহার্য। তিনি বলেন, নারী শক্তিকরণ এখন আর শুধুমাত্র একটি উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় এটি জাতীয় বেঁচে থাকার বিষয়। জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশ বাংলাদেশে নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের শক্তিকরণ টেকসই জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

## জাতীয় পর্যায়ের কর্মশালায় মন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেএম জাহিদ জাতীয় শিক্ষা ও স্কেল-আপ কর্মশালায় মুখ্য অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী ভাষণ দিয়েছেন। কর্মশালাটি 'জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ (দ্বিতীয় পর্ব)' প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত হয়েছিল।

মন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার নারী শক্তিকরণের প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, বিশেষ করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগগুলোতে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ নারীরা বন্যার, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং খরা প্রভৃতি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্যোগকে প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলো তাদের জীবিকা উন্নয়ন এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে সাহায্য করছে।

প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষিত নারীরা ইতিমধ্যে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করেছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি এবং জীবিকার কার্যকলাপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, জাতীয় নীতি গঠন থেকে শুরু করে ঘাসমূল পর্যায়ে বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

## কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

কর্মশালায় জাতিসংঘ মহিলা বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি, এনজিও, গবেষক এবং প্রায় ১০০ জন ঘাসমূল পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন।

'জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়তে নারী শক্তিকরণ' প্রকল্পটি জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) এবং জাতিসংঘ মহিলা দ্বারা যৌথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার জন্য নারীদের শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

## সূত্র

- BSS

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/bangladesh/women-empowerment-climate-resilient-societies-azm-zahid
