# ওয়ারীতে ৫৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার

*ঢাকার ওয়ারী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৭ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ অর্থ লুণ্ঠনের ঘটনায় ৯ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।*

১৩ জুন, ২০২৬ · বাংলাদেশ

## এক নজরে

- ঢাকার ওয়ারী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৭ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ অর্থ লুণ্ঠনের ঘটনায় ৯ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য।
- তাঁদের কাছ থেকে ১৭ ভরি লুণ্ঠিত সোনা, সোনা বিক্রির ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকার ওয়ারী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৭ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ অর্থ লুণ্ঠনের ঘটনায় ৯ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য। তাঁদের কাছ থেকে ১৭ ভরি লুণ্ঠিত সোনা, সোনা বিক্রির ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শহিদুল ইসলাম মাঝি (৬০), আবদুল মালেক (৫৫), মনির হোসেন (৪৫), ইউসুফ কাজী (৬৫), রাইসুল ইসলাম (৩৪), আরিফুল ইসলাম (৩৪), আফজাল হোসেন (৩০), তিন্নাথ পাল (৩৮) ও রিপন পাল (৩৬)।

ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্বর্ণব্যবসায়ী হরিপদ পাল ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের একজন ব্যবস্থাপক ৫৭ ভরি স্বর্ণালংকারসহ ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় চক্রটির সদস্যরা ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে তাঁদের গতিরোধ করেন। ভুক্তভোগীদের কাছে মাদক রয়েছে বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁদের একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের চোখমুখ বেঁধে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুটে নেয় চক্রটি। পরে তাঁদের কমলাপুর রেলস্টেশন-সংলগ্ন এলাকায় ফেলে রেখে চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যান।

ঘটনার পর হরিপদ পালের অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ারী থানায় একটি মামলা হয়। ডিএমপি বলছে, মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয় পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে ৬ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইত্তেফাক মোড় এলাকায় আবার ডাকাতির প্রস্তুতি নেয় চক্রটি। তখন চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ‘ডিবি’ লেখা তিনটি কোটি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া উদ্ধার করা হয় একটি খেলনা পিস্তল, দুটি ওয়াকিটকি সেট, এক জোড়া হ্যান্ডকাফ, দুটি লাঠি ও দুটি মুঠোফোন।

ডিএমপি বলছে, এই ছয় ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোর ও তাঁতিবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে আরও তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় লুট হওয়া ৫৭ ভরি সোনার মধ্যে ১৭ ভরি গলানো সোনা, সোনা বিক্রির ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল–মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আবার ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ওয়ারী থানায় আরেকটি মামলা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/bangladesh/wari-gold-robbery-arrests
