# ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদার হত্যাকাণ্ডে দুজন গ্রেপ্তার

*ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।*

১৩ জুন, ২০২৬ · বাংলাদেশ

## এক নজরে

- ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
- হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আল আমিন ও রিয়াজুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে পুলিশের।

রাজধানীর রমনা থানার মৌচাক এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আল আমিন ও রিয়াজুল। গতকাল সোমবার রাতে ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর রিয়াজুলকে গ্রেপ্তার করা হয় মুন্সিগঞ্জ থেকে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গতকাল রাত পৌনে আটটার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনের গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

ঘটনার পর রাতেই যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে যুবদলের রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি।

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ভাষ্য, যুবদল নেতা দিদারুল ও তাঁর অনুসারীরা রাত পৌনে আটটার দিকে আনারকলি মার্কেটের সামনে বিল্লালের ভাগনে মোবারক হোসেনকে (আকাশ) মারধর করছিলেন। খবর পেয়ে বিল্লাল সেখানে যান। তিনি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দিদারুলের সঙ্গে বিল্লালের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

নিহত বিল্লালের বাসা মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবার নাম ইউসুফ তালুকদার।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/bangladesh/volunteer-leader-murder-dhaka-two-arrested
