# শিক্ষকের ড্রাগন ফলের স্বপ্ন: অকৃষি জমি থেকে উঠল ফলনশীল কৃষি ব্যবসা

*একজন শিক্ষকের স্বপ্ন একটি অকৃষি জমিকে পরিণত করেছে ফলনশীল কৃষি ব্যবসায়ে।*

৭ জুলাই, ২০২৬ · বাংলাদেশ

## এক নজরে

- মাজহারুল ইসলাম নাইম অকৃষি জমিকে পরিণত করেছেন ফলনশীল কৃষি ব্যবসায়ে
- খান অ্যাগ্রো পার্কে প্রায় ৬,০০০ ড্রাগন ফল গাছ রয়েছে
- স্থানীয় শ্রমিকদের নিয়মিত চাকরি সরবরাহ করছে নাইমের খামার

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম নাইম অকৃষি জমিকে পরিণত করেছেন ফলনশীল কৃষি ব্যবসায়ে। তিনি ড্রাগন ফল, পেঁপে, আমরুত এবং ছাগল পালনের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনেছেন।

## কীভাবে শুরু হয়েছিল যাত্রা

মাজহারুল ইসলাম নাইম ২০২১ সালে ৩২০ ডেসিমাল অকৃষি জমি ইজারা নিয়ে তার কৃষি ব্যবসার যাত্রা শুরু করেন। তার বাবার আর্থিক সহায়তায় তিনি ২.৫ মিলিয়ন টাকা বিনিয়োগ করেন। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় তিনি ইউটিউব এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে জ্ঞান অর্জন করে ড্রাগন ফল, পেঁপে এবং আমরুতের চাষ শুরু করেন।

## কৃষি ব্যবসার বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে নাইমের খান অ্যাগ্রো পার্কে প্রায় ৬,০০০ ড্রাগন ফল গাছ রয়েছে। তার খামারে ড্রাগন ফল, পেঁপে এবং আমরুতের চাষ ছাড়াও ৫০ টিরও বেশি ছাগল পালন করা হয়। বর্তমানে তার মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫ মিলিয়ন টাকায় উন্নীত হয়েছে।

## স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রভাব

নাইমের খামার স্থানীয় শ্রমিকদের নিয়মিত চাকরি সরবরাহ করছে। তার খামার থেকে উৎপাদিত ড্রাগন ফল বাজারে ভাল দামে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরাও ড্রাগন ফলের চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

## ভবিষ্যতের আশা

নাইম বিশ্বাস করেন যে ড্রাগন ফলের চাষ বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। তিনি অন্যান্য কৃষকদের উৎসাহিত করেন যাতে তারাও এই চাষে আগ্রহী হন।

## সূত্র

- BSS

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/bangladesh/teachers-dragon-fruit-dream-transforms-fallow-land-into-thriving-agribusiness
