ঢাকা থেকে মধুগ্রাম পর্যন্ত যাত্রায় দেখা গেছে ইটভাটার বিস্তার ও বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত খাটোখাটি। ফেনী থেকে মধুগ্রাম পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কৃষিজমির ওপর ইটভাটার ক্রমবর্ধমান দখল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মহাসড়কের ধারে এবং বিভিন্ন জনপদের প্রবেশমুখে ময়লার ভাগাড় গড়ে ওঠা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
ইটভাটার বিস্তার ও বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত খাটোখাটি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে কৃষিজমিতে পরিবেশবিধ্বংসী ইটভাটার বিস্তার ঘটেছে। ফেনী থেকে ছাগলনাইয়া হয়ে মধুগ্রাম পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশেও অসংখ্য ইটভাটা দেখা গেল। উর্বর কৃষিজমির মাটি কেটে ইট তৈরি করা হচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশ—উভয়ের জন্যই মারাত্মক ক্ষতির কারণ।
ময়লার ভাগাড় ও পরিবেশ হুমকি
ফেনী শহরের প্রবেশমুখে একটি উন্মুক্ত ময়লার ভাগাড় চোখে পড়ল। সেখান থেকে নির্গত দুর্গন্ধ ও দূষণের কারণে চলাচলের সময় প্রায় দম বন্ধ হয়ে আসে। মহাসড়কের পাশে এ ধরনের উন্মুক্ত বর্জ্যভাণ্ডার কোনোভাবেই পরিবেশসম্মত নয়।
হারিয়ে যাওয়া সবুজ
ঢাকা থেকে পুরো পথে গাছপালার প্রতি আমার বিশেষ নজর ছিল। রাস্তার দুই পাশে প্রধানত রেইনট্রি, মেহগনি ও আকাশমণিগাছ দেখা গেল। মাঝেমধ্যে দু-একটি কদমগাছও চোখে পড়ল। ৪০ বছর আগে মধুগ্রামে বসবাস করতাম, তখন চারপাশ আম, জাম, কাঁঠালসহ নানা দেশীয় ফলের গাছে পরিপূর্ণ ছিল। এখন সেই স্থান অনেকটাই দখল করে নিয়েছে বিদেশি বা বহিরাগত প্রজাতির গাছ।






























